দার্জিলিং বা কোলকাতা যেখানেই হোক না কেন ভারতের ভিসা পাওয়া এমনিতেই অনেক ঝক্কি। আজকাল তো ই-টোকেন পাবার জন্য বেশ মোটা অংক গুণতে হয়। এই নিয়ে পত্র পত্রিকায় কম লেখা হয়নি। সে যাই হোক, আমার ভাগ্যটা ভালোই বলতে হবে।
অনলাইনে ফর্ম ফিলআপ করার সময় চেংড়াবান্ধা রুট লিখে দিলাম, খুব একটা সময় লাগেনি ভিসা পেতে। ঢাকার উত্তরা থেকেই ছয় মাসের সিল লেগে গেল, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এতো লম্বা জার্নি আমি কী করে একা করি। ভারত দু’জন লেখক বন্ধু শিলিগুড়িতেই থাকেন, তারা না হয় চেংড়াবান্ধা থেকে আমাকে রিসিভ করবেন । কিন্তু একা ঢাকা থেকে বুড়িমাড়ি কী করে যাই, রংপুর অব্দি যাওয়া কোনো সমস্যা না। তাই অপেক্ষা করতে লাগলাম, কোনোভাবেই কারো সাথেই রুট মেলে না। বেশির ভাগ বন্ধুদের প্রবেশদ্বার কোলকাতা। এখানে বলে রাখা ভালো - ভারতে যে পথে গমন সেই পথেই প্রত্যাবর্তন করতে হয়।
