বান্দরবান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বান্দরবান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৬

দূর পাহাড়ে | বান্দরবান ভ্রমণ

ফিরোজ শাহরিয়ার |

bandarban
সবুজ পাহাড়ের সঙ্গে মেঘের মিতালি ‘সেদিন ছিল পাহাড়টার জন্মদিন। পাহাড় মেঘকে বলল, আজ তুমি লাল শাড়ি পরে আসবে। মেঘ পাহাড়কে বলল, আজ তোমাকে স্নান করিয়ে দেব চন্দনজলে।’ পাহাড় আর মেঘের মিতালি নিয়ে এসব কথার যথার্থতা টের পাওয়া যায় বর্ষায় পাহাড়ে বেড়াতে গেলে। সেটা যদি হয় এই ঈদে বান্দরবানের গহিন অরণ্য, তাহলে তো কথাই থাকে না।
বান্দরবান থেকে থানচি কিংবা রুমায় যেতে যেতে মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো কত দৃশ্য চোখে পড়বে! কখনো রোদ, কখনো বৃষ্টি, কখনো বা মেঘের মিছিল ঠেলে ছুটে চলা। হাত বাড়ালে মেঘের ছোঁয়া। আবার সবুজ বনাঞ্চলে ঘেরা উঁচু পাহাড়ি পথে চলতে চলতে নিচের দিকে তাকালে তখন নিজেকে মনে হবে মেঘের ভেলায় চড়ছেন।

সোমবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৬

অরন্যের আড়ালে | ভ্রমণ গাইড

aranyer-arale-01
মেঘ-কুয়াশার তিন্দু আমরা সবাই জানি যে পানির কোনো রং নেই। পানি যখন যেখানে থাকে, সেখানকার রং ধারণ করে। কিন্তু এই পানিই মানুষের মনে হরেক রকম রঙের বিকিরণ ছড়িয়ে দেয়। পুকুরের পানি দেখলে সবাই যেমন ক্লান্তি ভুলে ডুব দিতে ছুটে যায়, সাগরের পানি যেমন কৈশোরের দুরন্তপনা ছড়িয়ে দেয় সবার মাঝে, বৃষ্টির পানিতে একবার ভিজতে না পারলে বছরটাই যেমন অর্থহীন মনে হয়, ঠিক তেমনি হিমশীতল ঝরনার পানিতে শরীরখানা একবার ভেজানোর জন্যও মরুভূমি হয়ে থাকে বুকের উষ্ণ জমিনটুকু। আজ ঠিক তেমনি এক ঝরনার কথা শোনাব সবাইকে, যে ঝরনার পাশ দিয়ে এসে থমকে দাঁড়ায় দিনের বাতাস, যে ঝরনায় প্রবেশের জন্য আকাশসমান গাছের কাছে অনুমতি চেয়ে বেড়ায় ভোরের রোদ্দুর, যে ঝরনায় এখনো কাচের মতো স্বচ্ছ টলটলে পানি আয়না হয়ে অপেক্ষা করে নতুন কোনো বিস্ময়ে বিহ্বল চোখের জন্য, যে ঝরনা এখনো শহুরে মানুষের চোখে অদেখা এক জাদুকরি ঝরনা। নিজেকে আর সবার কাছ থেকে আড়াল করে বান্দরবানের গহিন অরণ্যে বয়ে চলা এ ঝরনাটির নাম ‘জাদিপাই ঝরনা’।